ডেঙ্গু ঠেকাতে আজ থেকে বাড়ি বাড়ি অভিযান, মাঠে ১৫০০ কর্মী

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এলাকায় বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে ২৪টি দলে ভাগ হয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ সদস্য এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উ...

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এলাকায় বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে ২৪টি দলে ভাগ হয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ সদস্য এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল ৯টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম উদ্বোধনের পর এ কর্মসূচি শুরু হবে।

দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৯টা থেকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি স্টলও স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে নগরবাসীর জন্য ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও করণীয় বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য ও উপকরণ প্রদর্শন করা হবে।

এদিকে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস কেন্দ্র করে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫, বিশেষ করে সংসদ ভবন ও এর আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ সোর্স রিডাকশন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং লার্ভানিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

ডিএনসিসি জানিয়েছে, সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এবং অঞ্চল-৫-এর চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে শনিবার সকালে বিশেষ সোর্স রিডাকশন ও লার্ভানিধন অভিযান চালানো হবে।

এ কাজে অঞ্চল-২, ৩ ও ৪ থেকে নির্ধারিত সংখ্যক সুপারভাইজার ও মশককর্মীকে সাময়িকভাবে অঞ্চল-৫ এবং সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও আশপাশের এলাকায় নিয়োজিত করা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় কার্যক্রমে অংশ নেওয়া কর্মীদের বাইরে এসব অঞ্চলের অন্য সুপারভাইজার ও মশককর্মীরা নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

অঞ্চল-১, ৬, ৭, ৮ ও ৯-সহ ডিএনসিসির অন্যান্য এলাকাতেও জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালানো হবে। এসব এলাকায় চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান, এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল এবং আগের হটস্পটগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ডিএনসিসি বলছে, এবারের কার্যক্রমে শুধু মশক নিধন নয়, বরং এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্তকরণ, উৎস ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী লার্ভিসাইড প্রয়োগের মাধ্যমে সোর্স রিডাকশনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অঞ্চলের কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি, সমন্বয় ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে জনবল মোতায়েন, কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং চিহ্নিত প্রজননস্থল ধ্বংসের বিষয়টি সরাসরি মনিটর করতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এমএমএ/এমআইএইচএস

Original Source
https://www.jagonews24.com/national/news/1156222
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World