খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের বিকাশে নীতিগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে হবে
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব জহিরুল ইসলাম বলেছেন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের বিকাশে সরকারের বিদ্যমান নীতিগত সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করতে হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় আরও সহজ ও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর ১১তম আসরের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জহিরুল ইসলাম বলেন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত খাতে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তাই এখন সুনির্দিষ্ট অ্যাকশন প্ল্যান নিয়ে এগোতে হবে।
তিনি বলেন, ‘মাঠপর্যায়ে আমাদের কৃষক এবং শিল্প খাতের মধ্যে যে সংযোগের দুর্বলতা রয়েছে, তা দূর করতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকের উৎপাদিত পণ্য এবং বাজারের সার্বিক দামের একটি সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাশাপাশি এখাতে প্রযুক্তির আধুনিকায়ন বা টেকনোলজি অ্যাডভান্সমেন্ট নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।’
দেশীয় পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারি এবং বেসরকারি উভয় খাতেই গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম বহুগুণ বাড়াতে হবে। একটি মজবুত ভ্যালু চেইন গড়ে তোলা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মার্কেট রিপ্লেসমেন্ট নিয়ে সরকারি-বেসরকারি সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘সবশেষ বলব, দেশে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সমাজের সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা ভোক্তা অধিদপ্তর শুধু অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেই ক্ষান্ত হতে চাই না। নকল ও নিম্নমানের পণ্যের ভিড়ে যেসব আসল ও গুণগত মানসম্পন্ন কোম্পানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তাদেরও পূর্ণ সহায়তা দিতে চাই।’
অনুষ্ঠানে বাপার সভাপতি মাহবুব আনাম, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি উজমা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ মুহাম্মদ শোয়াইব হাছান, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ডেপুটি এডিটর সাজ্জাদুর রহমান, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (এক্সপোর্ট) মিজানুর রহমান এবং স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পারভেজ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এনএইচ/এসএইচএস

