২০২৭ এশিয়া কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো নেপাল
এশিয়ার ক্রিকেটে নিজেদের উত্থানের ধারা অব্যাহত রেখেছে নেপাল। সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৪৪ রানে হারিয়ে এসিসি মেনস প্রিমিয়ার কাপের শিরোপা জয়ের পাশাপাশি আগামী বছরের (২০২৭) এশিয়া কাপে জায়গা করে নিয়েছে দলটি। এর ফলে এশিয়া কাপে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাবে নেপাল।
এটি নেপালের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের মূল পর্বে অংশগ্রহণ। এর আগে ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে প্রথমবার খেলেছিল নেপাল।
কুয়ালালামপুরের বায়ুমাস ওভালে ফাইনালে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নেপাল। ওপেনার আসিফ শেখের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ গড়ে তারা। ১০৬ বলে ১০২ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন আসিফ। তাকে দারুণভাবে সহায়তা করেন রোহিত পাওদেল (৪০) ও গুলশান ঝা (৫২)।
আরব আমিরাতের হয়ে ইবরার আহমেদ ৬২ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলিং করেন। তবে নেপালের ব্যাটারদের আটকে রাখতে পারেনি আমিরাতের বোলিং আক্রমণ। নির্ধারিত ইনিংস শেষে ৯ উইকেটে ৩১৩ রান সংগ্রহ করে নেপাল।
৩১৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আরব আমিরাত শুরুটা বেশ আক্রমণাত্মকভাবে করে। তানিশ সুরি মাত্র ২৮ বলে ৪২ রান করে নেপালের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন। তবে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় নেপাল।
কারণ কেসি ৪৯ রানে তিনটি এবং ললিত রাজবংশী ৪৩ রানে দুটি উইকেট নিয়ে আরব আমিরাতের ব্যাটিং লাইনআপে গুরুত্বপূর্ণ ধাক্কা দেন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত সেঞ্চুরি করেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে পারেননি রাহুল চোপড়া। নির্ধারিত ওভারে আরব আমিরাত থেমে যায় নেপালের চেয়ে ৪৪ রান পিছনে।
ফাইনালে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন নেপালের ওপেনার আসিফ শেখ। পুরো টুর্নামেন্টে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সিরিজসেরার পুরস্কার জিতেছেন সন্দীপ লামিচানে। তিনি টুর্নামেন্টে মোট ১৭টি উইকেট শিকার করেন।
এমএমআর
