মসজিদের কার্পেটের নকশায় মাথার আকৃতি থাকলে কি নামাজ হবে?

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
প্রশ্ন: আমাদের মসজিদের কার্পেটে সিজদার জায়গায় নকশার ধরনের কারণে মানুষের মাথার আকৃতি-বিশেষ আঁকা বলে মনে হয়। যদিও সেটা আসলে মানুষের মাথার আকৃতি নয়, কিন্তু নকশার ধরনের কারণে এ রকম মনে হয়। প্রশ্ন হলো, এ রকম কার্পেটে নামাজ আদায় করলে কি নামাজ হবে? আরেকটি প্রশ্ন হলো, কোনো কক্ষের দেয়ালে ...

প্রশ্ন: আমাদের মসজিদের কার্পেটে সিজদার জায়গায় নকশার ধরনের কারণে মানুষের মাথার আকৃতি-বিশেষ আঁকা বলে মনে হয়। যদিও সেটা আসলে মানুষের মাথার আকৃতি নয়, কিন্তু নকশার ধরনের কারণে এ রকম মনে হয়। প্রশ্ন হলো, এ রকম কার্পেটে নামাজ আদায় করলে কি নামাজ হবে?

আরেকটি প্রশ্ন হলো, কোনো কক্ষের দেয়ালে মানুষের ছবি থাকলে ওই ঘরে নামাজ হবে?

উত্তর: প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী আপনাদের মসজিদের কার্পেটের ওই নকশা বা ডিজাইনটি মূলত মাথার কোনো আকৃতিই নয়। এটি শরীয়ত নিষিদ্ধ ছবির অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই তাতে নামাজ পড়তে কোনো অসুবিধা নেই। এটা নিয়ে সংশয়ে ভোগা ঠিক হবে না।

কোনো কক্ষের দেয়ালে মানুষের ছবি আঁকা বা টাঙানো থাকলে ওই কক্ষে নামাজ আদায় করা মাকরুহ। ছবি নামাজ আদায়কারীর সামনে, ডানে, বামে থাকুক বা পেছনে থাকুক ওই ঘরে নামাজ আদায় করা মাকরুহ বা অপছন্দনীয়। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, যে ঘরে ছবি আছে তাতে নামাজ পড়ো না। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা)

তবে এ রকম কক্ষে নামাজ আদায় করা নাজায়েজ নয়। সামনে বা পেছনে দৃশ্যমান ছবি থাকা অবস্থায় নামাজ আদায় করলে নামাজ হয়ে যাবে; পুনরায় পড়তে হবে না।

উল্লেখ্য যে, ঘরের দেয়ালে মানুষসহ যে কোনো প্রাণীর ছবি আঁকা বা টাঙিয়ে রাখা কিংবা প্রদর্শনী হয় এভাবে খোলা রাখা নাজায়েজ। কোনো ঘরে ছবি টাঙানো থাকলে সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ফেরেশতারা এমন ঘরে প্রবেশ করেন না যাতে কোনো কুকুর রয়েছে এবং এমন ঘরেও না, যাতে কোনো প্রাণীর ছবি রয়েছে। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) যখন তাবুক যুদ্ধের সফরে ছিলেন, আমি আমার ঘরে পাতলা কাপড়ের একটি পর্দা লাগিয়েছিলাম; তাতে প্রাণীর অনেকগুলো ছবি ছিল। রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে এসে যখন এটা দেখলেন, তখন তা ছিঁড়ে ফেললেন এবং বললেন, কেয়ামতের দিন সে সব মানুষের সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হবে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির (প্রাণীর) অনুরূপ তৈরি করবে। (সহিহ বুখারি)

ওএফএফ

Original Source
https://www.jagonews24.com/religion/islam/1156602
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World