বিচারক ও অ্যাটর্নি জেনারেলের নিরাপত্তা হ্রাসের পরিপত্র বাতিল চেয়ে রিট
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা হ্রাস করে জারি করা পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ১০ জন আবেদনকারীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
আবেদনে বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটের আবেদনকারীরা হলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ সাদিক, অ্যাডভোকেট মো. মিজানুল হক, অ্যাডভোকেট যায়েদ বিন আমজাদ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শানেওয়াস, অ্যাডভোকেট ছাব্বির রহমান, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শামীম শাহিদী, মো. রাফিউল সাব্বির ও হাবিবুর রহমান আল হাসান।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্বেও নতুন পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে বিচার বিভাগের নিরাপত্তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, ক্ষমতার পৃথকীকরণ এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামো লঙ্ঘিত হয়েছে।
আবেদনকারীরা পরিপত্রটির কার্যকারিতা স্থগিতের পাশাপাশি এটিকে আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ও আইনগত কার্যকারিতাহীন ঘোষণা এবং আগের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়েছেন।
রিটে গত ২৭ আগস্ট জারি করা পরিপত্রটি বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে। পরিপত্রটির স্মারক নম্বর-৪৪.০০.০০০০.০৪৪.০১.০১৪.২০২৫-৩৬১।
আবেদনকারীদের দাবি, ওই পরিপত্র বিদ্যমান ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স এবং ‘বাংলাদেশ বনাম আতাউর রহমান ও অন্যান্য’ মামলায় আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এর আগে ২০২৫ সালের ২ মার্চ একই ধরনের একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছিল। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগ ৬ মার্চ সুয়োমোটো রুল নং ৩/২০২৫ জারি করেন। একই সঙ্গে পরিপত্রটির কার্যকারিতা স্থগিত করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরে ২০২৫ সালের ৯ মার্চ ওই পরিপত্রটি বাতিল করা হয়।
এফএইচ/এসএনআর


