৭ মিনিটে এক মাইল দৌড়াতে না পারলেই বাদ ক্রিকেটার
জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) এবার ফিটনেসের পরীক্ষায় আরও কঠিন মানদণ্ড পেরোতে হবে ক্রিকেটারদের। ১৬০০ মিটার বা এক মাইল দৌড়াতে হবে সর্বোচ্চ ৭ মিনিটে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই দূরত্ব শেষ করতে না পারলে এবারের এনসিএলে খেলার জন্য ওই ক্রিকেটারকে বিবেচনা করা হবে না।
আগামী ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামের অ্যাথলেট টার্ফে হবে এনসিএলের ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষা। জাগো নিউজকে বিসিবির একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, এবারের পরীক্ষায় ফেল করা ক্রিকেটারদের সরাসরি খেলার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ক্রিকেটারদের অ্যারোবিক সক্ষমতা ও দীর্ঘ সময় মাঠে পারফর্ম করার সামর্থ্য যাচাই করতেই এবার দৌড়ের এই সময়সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অর্থাৎ শুধু স্কিল নয়, এনসিএলের দলে জায়গা পেতে ফিটনেসেও নির্দিষ্ট মানে পৌঁছাতে হবে ক্রিকেটারদের।
২০২৬-২৭ মৌসুমের চার দিনের এনসিএল শুরু হবে আগামী ৩ অক্টোবর। লাল বলের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে দেশের আটটি বিভাগ। প্রতিটি দলের প্রধান কোচ, সহকারী কোচসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফও এরই মধ্যে চূড়ান্ত করেছে বিসিবি।
এনসিএলকে সামনে রেখে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে। বিভিন্ন দলের কোচদের অধীনে ইতোমধ্যে ক্যাম্প চলছে। পরবর্তী ধাপে শুরু হবে স্কিল ক্যাম্প। এরপর আট বিভাগের ক্রিকেটারদের নিয়ে আয়োজন করা হবে ফিটনেস ক্যাম্প, যার অংশ হিসেবেই ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বরের দৌড়ের পরীক্ষা। এরপর ৩ অক্টোবর পর্দা উঠবে জাতীয় ক্রিকেট লিগের এবারের আসর।
এবারের ফিটনেস পরীক্ষায় বিসিবির বার্তাটা বেশ পরিষ্কার-নির্ধারিত মানে পৌঁছাতে না পারলে শুধু প্রস্তুতি ক্যাম্পেই থাকা নয়, এনসিএলের ম্যাচেও খেলার সুযোগ মিলবে না। ৭ মিনিটে এক মাইল দৌড় তাই এবারের এনসিএলের ক্রিকেটারদের জন্য হয়ে উঠছে গুরুত্বপূর্ণ এক মাপকাঠি।
এসকেডি/এমএমআর


