হেনস্থার অভিযোগ অস্বীকার, রাবিতে শিক্ষার্থীকে ‘গুপ্তচর’ বলল ছাত্রদল

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হলের এক শিক্ষার্থীকে রাতভর হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান ফুয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক সবুজ শাহরিয়ার। তাদের দাবি, ওই শিক্ষার্থী শিবিরের হয়ে ‘গুপ্তচরবৃত্তি’ করছিলেন এবং ছাত্...

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হলের এক শিক্ষার্থীকে রাতভর হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান ফুয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক সবুজ শাহরিয়ার। তাদের দাবি, ওই শিক্ষার্থী শিবিরের হয়ে ‘গুপ্তচরবৃত্তি’ করছিলেন এবং ছাত্রদলকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল নেতারা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা জানান। এছাড়া ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জোহা হল ছাত্রদলের সভাপতি ফুয়াদ বলেন, আমি ওই শিক্ষার্থীকে দুই-তিন দিন ধরে চিনি। এর আগে তাকে সেভাবে চিনতাম না। একদিন তার সঙ্গে দেখা হলে তিনি আমাকে ছাত্রদল করার কথা জানান। পরে একদিন তিনি আমাকে ফোন করে দেখা করতে চান। তখন আমি তাকে আমার রুমে আসতে বলি।

ফুয়াদ বলেন, রুমে এসে তিনি জানান, তিনি ছাত্রদলে যোগ দিতে চান এবং তাকে ছাত্রদলের গ্রুপে যুক্ত করে দিতে বলেন। তাকে আমাদের হলের ছাত্রদলের গ্রুপে যুক্ত করার জন্য তিনি নিজেই তার মোবাইল ফোন আমাকে দেন। তখন তার ফোনে হল শিবিরের সভাপতি রাশানের সঙ্গে কথোপকথন দেখতে পাই।

তিনি আরও বলেন, ওই কথোপকথন থেকে দেখা যায়, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ হয়েছে। সেখানে রাশান তাকে আমার সঙ্গে কথা বলার সময় রেকর্ড চালু রাখতে এবং প্রভোস্টের রুমে যাওয়ার আগে ও ভেতরে কী কথা হয়, তা রেকর্ড করে তাদের দিতে বলেছেন- এমন তথ্যও আমি দেখতে পাই। হলের সেকশন অফিসারের রুমে গিয়েও নজরদারি করার বিষয়ে তার ফোনে তথ্য পাওয়া যায়।

শিবির তাকে একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জোহা হলে ছাত্রদলের সভাপতির বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছে জানিয়ে ফুয়াদ বলেন, এসব তথ্য থেকে আমার মনে হয়েছে, ওই শিক্ষার্থীকে ব্যবহার করে ছাত্রদলকে বিতর্কিত বা কলঙ্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ সময় শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে হল ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সবুজ শাহরিয়ার বলেন, তাকে আমি কেন মারতে যাব? তাকে মারলে তো শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকবে। সেখানে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সে ভিডিওতে স্বীকার করেছে, তাকে কেউ মারধর করেনি। সে যে কথাগুলো বলেছে, সেগুলো বানিয়ে বলেছে।

তিনি আরও বলেন, তার বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে, কেউ তাকে একটি স্ক্রিপ্ট লিখে দিয়েছে এবং সে সেটিই পড়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের এক শিক্ষার্থীকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ উঠে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ- তার মোবাইল ফোন চেক করে শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ খোঁজা হয় এবং তাকে ‘শিবিরের স্পাই’ আখ্যা দিয়ে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ, হেনস্তা ও মারধর করা হয়।

মিরাজ হোসেন/এসজেডএইচ/জেআইএম

Original Source
https://www.jagonews24.com/campus/news/1157605
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in Education