মক্কায় ড্রোন হামলা, সৌদির পাশে ওআইসি
পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জেদ্দা থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এসব হামলার নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে দেশটির পাশে থাকার কথা জানিয়েছে ওআইসি।
এতে বলা হয়, ৫৭টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের এই জোট পবিত্র স্থান, মসজিদ ও বেসামরিক স্থাপনায় হুথিদের হামলাকে সন্ত্রাসবাদের শামিল বলে মনে করে। এসব হামলা ইসলামি মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক আইনবিধির পরিপন্থি বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
The OIC General Secretariat Condemns the Houthi Attacks on Makkah and the Madinah Region#OIC #Makkah #Madinah #SaudiArabia #Houthi pic.twitter.com/nQaz3CF2ol
— OIC (@OIC_OCI) September 15, 2026
পবিত্র স্থান ও মসজিদের মর্যাদা লঙ্ঘন এবং বেসামরিক মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর মতো ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মক্কার দক্ষিণে একটি ড্রোন শনাক্ত করে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, ড্রোনটি মক্কার নির্ধারিত সীমার আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ধ্বংস করা হয়েছে।
তুর্কি আল-মালিকি বলেন, মক্কাকে নিশানা করে হুথিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। এর আগে, ২০১৭ সালে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনাকেও মক্কায় হামলার চেষ্টা বলে উল্লেখ করেছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
তবে, মক্কাকে নিশানা করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুথিরা। গোষ্ঠীটির মুখপাত্র হাজেম আল-আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সৌদি আরবের দাবিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, এর আগেও সৌদি আরব একই ধরনের অভিযোগ করেছিল।
গত কয়েক দিনে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে হুথিরা। এসব হামলার পর দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
হুথিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। এসব এলাকা বাব আল-মান্দাব প্রণালির কাছাকাছি। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন হয়। হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পর লোহিত সাগরপথে তেল পরিবহন নিয়েও নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: দ্য ডন
এমডিআরএইচ/

