সিটিটিসির সাবেক প্রধানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
  গাজীপুর মহানগরের চত্বরে ইবনে মাসউদ মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল হোসেন আল আমিনকে অপহরণের পর গুম ও হত্যার অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সাবেক প্রধান আসাদুজ্জামান, সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আ...

 

গাজীপুর মহানগরের চত্বরে ইবনে মাসউদ মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল হোসেন আল আমিনকে অপহরণের পর গুম ও হত্যার অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সাবেক প্রধান আসাদুজ্জামান, সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ দাখিল করে।

এর আগে গত মাসে এ ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। প্রতিবেদনে তৎকালীন সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামান, এডিসি ইশতিয়াক আহমেদ এবং তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মিয়াসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি ডিবি পুলিশের পরিচয়ে গাজীপুরের ইবনে মাসউদ মাদরাসা থেকে অধ্যক্ষ আবুল হোসেন আল আমিনকে তুলে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মাদরাসা থেকে আটকের পর আল আমিনকে ঢাকার মিন্টো রোডে সিটিটিসি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে দীর্ঘ সময় হেফাজতে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, টানা ১৮ দিন নির্যাতনের কারণে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

তদন্তে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, আল আমিনের মৃত্যুর বিষয়টি গোপন করতে তার মরদেহ কেরানীগঞ্জের তুলসীখালী সেতু থেকে ধলেশ্বরী নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করে সিটিটিসি। তাদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তৎকালীন সিটিটিসির এডিসি ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল ৩০ জানুয়ারি গাজীপুরের ইবনে মাসউদ মাদরাসায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই আল আমিনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, আল আমিনকে আটকের পর তার ওপর নির্যাতন চালানো এবং পরবর্তী সময়ে তার মৃত্যুর ঘটনা গোপন করতে মরদেহ সরিয়ে ফেলার ঘটনায় অভিযুক্তদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

এ ঘটনায় তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। 

এফএইচ/এসএনআর

Original Source
https://www.jagonews24.com/law-courts/news/1157785
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World