সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মেট্রোস্টেশন এবং জগন্নাথ হলের পাশে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক রাত ১০ টা ৪৫ মিনিটের দিকে এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটানো হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির ঢাবি শাখার আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক এবং সাধারণ সম্পাদক আকাশ আলী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে কতিপয় সন্ত্রাসী। ভয়ের পরিবেশ তৈরির অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে যথাযথ তৎপর হতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অবিলম্বে ককটেল বিস্ফোরণকারী সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘ক্যাম্পাসকে নিরাপদ রাখতে বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আওয়ামী আমল, অন্তর্বর্তী আমল বা বিএনপি আমলের প্রশাসনের মধ্যে বিশেষ কোনো তফাৎ নেই।’
তারা আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। যারা ১৫ জুলাই এবং বিগত ১৬ বছর বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে হামলা করেছে, গণরুম-গেস্টরুমে নিপীড়ন করেছে তাদের অধিকাংশই এখনও ক্যাম্পাসে বহাল তবিয়তে আছে। এদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া দৃশ্যমান করার কথা আমরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি। অথচ প্রশাসন এই বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগই নেয়নি। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতিই একের পর এক এই ঘটনাগুলো ঘটার প্রেক্ষাপট তৈরি করছে এবং ক্যাম্পাসকে অনিরাপদ করে তুলছে। এর দায় কোনোভাবেই এড়াতে পারে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।’
উপর্যুক্ত বিবৃতির পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ শিক্ষাঙ্গনের জন্যে শিক্ষার্থীদের এবং ছাত্র সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দরা।
আরটি/কেএম


