বাংলাদেশ, তুমি ভালো হয়ে যাও

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
  এক গোষ্ঠী সারাদিন ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, সেই দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই। আরেক গোষ্ঠী পাকিস্তানের গুণগানে দিশাহারা, সেটাও সেই দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই। আরেক গোষ্ঠী সারাদিন চাঁদাবাজি, দুর্নীতি আর লুটপাট নিয়ে ব্যস্ত। সব মিলিয়ে এমন একটা অবস্থা, যেন হাঁড়ি ভেঙে দই পড়ছে, আর বিড়ালে...

 

এক গোষ্ঠী সারাদিন ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, সেই দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই। আরেক গোষ্ঠী পাকিস্তানের গুণগানে দিশাহারা, সেটাও সেই দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই। আরেক গোষ্ঠী সারাদিন চাঁদাবাজি, দুর্নীতি আর লুটপাট নিয়ে ব্যস্ত। সব মিলিয়ে এমন একটা অবস্থা, যেন হাঁড়ি ভেঙে দই পড়ছে, আর বিড়ালের হয়েছে বাহার। ঘটনা কী?

তবে ইদানীং জিন্নাহকে নিয়ে বেশ বাড়াবাড়ি হচ্ছে। কিন্তু কারণ কী? এখন কী এমন হলো যে জিন্নাহকে নিয়ে এত কথা বলতে হচ্ছে? আমাদের কি নিজেদের আর কোনো সমস্যা নেই?

যে দেশে তেল আনতে নুন নেই, সেই দেশে ইতিহাসের একজন বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ঘিরে নতুন করে এত উত্তেজনা কেন? বিষয়টি নিয়ে ভাবতেই মাথার চুলগুলো শেষ, ঘুম তো বহু বছর আগেই উধাও হয়েছে।

জিন্নাহ বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশ, পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং উপমহাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি। তাকে নিয়ে ইতিহাস পড়া, গবেষণা করা বা তার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা অবশ্যই হতে পারে। কিন্তু ইতিহাসকে বোঝা আর ইতিহাসকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানো এক কথা নয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু আর্কাইভে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিনে যে বিতর্ক, প্রতিবাদ, ছবি ছেঁড়া এবং পাল্টা কর্মসূচি দেখা গেল, সেটি আবারও সেই পুরোনো প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে: আমরা কি ইতিহাস বুঝতে চাই, নাকি ইতিহাস নিয়ে নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করতে চাই?

আমি ছোটবেলায় গাঁজাখুরি গল্প শুনেছি। এক মাতাল খেজুরের রসের তাড়ি ভালো করে গিলে আরেক মাতালকে বলছে, “এই শালা, ওই দেখ, কই মাছ গাছে উঠতিছে!” আরেক মাতাল অবাক হয়ে বলছে, “কী? কই মাছের শিং উঠছে নাকি যে গাছে উঠতিছে?”

বাংলাদেশের গণমাধ্যমে ইদানীংকার কিছু খবর দেখলে মনে হয়, আমরা যেন সেই গাঁজাখুরি গল্পকেও হার মানিয়ে নতুন কিছু আবিষ্কারের পথে হাঁটছি।

হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে, সম্পদ জব্দ হচ্ছে, অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠছে, মামলা হচ্ছে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট জানিয়েছে, ১১টি অগ্রাধিকার মামলায় দেশ-বিদেশে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ফ্রিজ বা জব্দ করা হয়েছে।

আবার Global Financial Integrity-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৩ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাণিজ্য-সংক্রান্ত ভুল ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ বিলিয়ন ডলারের অবৈধ আর্থিক বহিঃপ্রবাহের হিসাব পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে Transparency International Bangladesh-এর জরিপে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে মানুষের ঘুস দেওয়ার পরিমাণ ১২,৬৩৩ কোটি টাকার বেশি বলে উঠে এসেছে। জরিপে ৮১.৬ শতাংশ পরিবার অন্তত একটি সেবা খাতে দুর্নীতির অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছে।

আর এখন সামনে এসেছে আরও একটি বড় প্রশ্ন। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, নিয়োগ-বদলি-পদায়ন, টেন্ডার ও উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম, ঘুস এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে দুদক অনুসন্ধান করছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে অভিযোগের মোট আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা বলা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, অভিযোগগুলো যাচাই করে দেখা হবে এবং তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো বিষয়কে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বলা যাবে না। আসিফ মাহমুদ অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং তদন্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

কিন্তু এখানে ব্যক্তি আসিফ মাহমুদের চেয়েও বড় একটি প্রশ্ন আছে। অভিযোগ সত্য হোক বা মিথ্যা হোক, তদন্ত হোক বা শেষ পর্যন্ত অভিযোগের কোনো অংশ প্রমাণিত না হোক, এত বড় অঙ্কের অর্থের লেনদেন, সম্পদ অর্জন কিংবা বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ উঠতে পারল কীভাবে?

রাষ্ট্রের আর্থিক নজরদারি ব্যবস্থা কোথায় ছিল?

ব্যাংকগুলো কোথায় ছিল? বাংলাদেশ ব্যাংক কোথায় ছিল? বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কোথায় ছিল? কর প্রশাসন কোথায় ছিল? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোথায় ছিল? গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কী করছিল? বিমানবন্দর ও সীমান্তের নজরদারি ব্যবস্থা কী করছিল? এতগুলো প্রতিষ্ঠান, এত কর্মকর্তা, এত প্রযুক্তি, এত আইন এবং ২৪ ঘণ্টার নজরদারির কথা আমরা শুনি। তাহলে এত বড় অঙ্কের অর্থ যদি সত্যিই দেশ থেকে বেরিয়ে যায়, সেটি ধরা পড়ে না কেন?

নাকি আমাদের নজরদারি ব্যবস্থা কাগজে-কলমে ২৪ ঘণ্টা সক্রিয়, আর বাস্তবে কেউ গাঁজা খেয়ে টাল হয়ে বসে বসে আঙুল চুষছে? প্রশ্নটি ব্যঙ্গের হলেও বিষয়টি মোটেও হাসির নয়।

কারণ অর্থপাচার কোনো একদিনে ঘটে না। ব্যাংকিং লেনদেন, কোম্পানি, সম্পত্তি, আমদানি-রপ্তানি, বিনিয়োগ, বিদেশে অর্থ স্থানান্তর, কর নথি এবং বিভিন্ন আর্থিক রেকর্ডের মধ্য দিয়ে এর কোনো না কোনো চিহ্ন থাকার কথা। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট নিজেই জানায় যে সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের রিপোর্ট তারা ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রহণ করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইন প্রয়োগকারী ও তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে তথ্য বিনিময় করে।

তাহলে প্রশ্ন আরও সরল: সিস্টেম যদি এত শক্তিশালী হয়, তাহলে এত বড় বড় অর্থ পাচারের অভিযোগ বারবার সামনে আসে কীভাবে? আর যদি সিস্টেম দুর্বল হয়, তাহলে জনগণের টাকা দিয়ে এত বিশাল প্রশাসনিক কাঠামো চালিয়ে লাভ কী?

২০২৬ সালের জুলাইয়ে BFIU জানিয়েছিল, ১১টি অগ্রাধিকার অর্থপাচার মামলায় দেশে-বিদেশে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ফ্রিজ ও জব্দ করা হয়েছে। এটি শুধু দুর্নীতির প্রশ্ন নয়। এটি রাষ্ট্রের সক্ষমতার প্রশ্ন।

একজন ব্যক্তি দুর্নীতি করতে পারে। কয়েকজন মিলে অর্থ পাচার করতে পারে। কিন্তু একটি রাষ্ট্রের ভেতরে দীর্ঘ সময় ধরে বড় অঙ্কের অর্থ অবৈধভাবে স্থানান্তরিত হলে প্রশ্ন উঠবেই: তখন রাষ্ট্রের চোখ কোথায় ছিল?

এই প্রশ্নের উত্তর জনগণকে দিতে হবে

শুধু “দুর্নীতি হয়েছে”, “অর্থ পাচার হয়েছে”, “তদন্ত চলছে” বললে হবে না। জনগণ জানতে চায়, এত দিন ধরে কে দেখছিল? কী দেখেছিল? কী ব্যবস্থা নিয়েছিল? আর যদি কেউ কিছু না দেখে থাকে, তাহলে কেন দেখেনি?

কারণ দুর্নীতিবাজকে ধরা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু দুর্নীতি ঘটার পর শুধু দুর্নীতিবাজকে ধরলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। রাষ্ট্রকে এটাও ব্যাখ্যা করতে হবে, দুর্নীতির এত বড় সুযোগ তৈরি হলো কীভাবে।

এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে জরুরি সংস্কারগুলোর একটি হওয়া উচিত এই জায়গায়: অর্থ কোথা থেকে এল, কোথায় গেল, কে দেখল, কে জানল, কে চুপ থাকল এবং কেন চুপ থাকল, তার একটি পূর্ণাঙ্গ জবাবদিহি ব্যবস্থা তৈরি করা।

নইলে আজ একজনের নাম আসবে, কাল আরেকজনের নাম আসবে, পরশু আরও বড় অঙ্কের কথা শোনা যাবে। জনগণ শুধু তাকিয়ে থাকবে, আর রাষ্ট্র বারবার বলবে, “তদন্ত চলছে।”

এই চক্র ভাঙতেই হবে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা আসলে কোন বাংলাদেশ বানাচ্ছি? একদিকে জিন্নাহ, ভারত, পাকিস্তান, কে দেশপ্রেমিক আর কে দেশদ্রোহী, কে কার ছবি রাখবে আর কে কার ছবি ছিঁড়বে, এসব নিয়ে উত্তেজনা। অন্যদিকে অর্থ পাচার, চাঁদাবাজি, ঘুস, দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় নিয়ে একের পর এক অভিযোগ ও তদন্ত।

আমাদের কি সত্যিই এত অবসর আছে?

দেশের মানুষ যখন দ্রব্যমূল্য, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা, দুর্নীতি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে চিন্তিত, তখন রাষ্ট্র ও সমাজের শক্তি কোথায় ব্যয় হচ্ছে, সেটি নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।

ইতিহাসকে বাদ দিতে বলছি না। বরং ইতিহাস আরও বেশি করে জানতে বলছি। কিন্তু ইতিহাস যেন বর্তমানের ব্যর্থতা ঢাকার পর্দা না হয়। জিন্নাহর ছবি থাকলেই বাংলাদেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে না, আবার জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসও নিরাপদ হয়ে যাবে না। ইতিহাসকে সম্মান করার সবচেয়ে বড় উপায় হলো ইতিহাসকে সত্যের সঙ্গে দেখা।

বাংলাদেশের সামনে এখন জরুরি প্রশ্ন হলো, কে জিন্নাহর ছবি রাখল বা কে ছিঁড়ল, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন: দেশের টাকা কোথায় যাচ্ছে? জনগণের অধিকার কোথায় যাচ্ছে? রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা কার্যকর? ঘুস ছাড়া সাধারণ মানুষ কতটা সেবা পাচ্ছে? চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কতটা কঠোর? দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে শেষ পর্যন্ত কতজনের বিচার হয়? আর যারা দেশের সম্পদ বিদেশে নিয়ে যায়, তাদের কাছ থেকে সেই সম্পদ ফিরিয়ে আনার সক্ষমতা আমাদের কতটা আছে?

এখন দরকার একটি জরুরি জাতীয় সতর্কবার্তা

বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে এখনই কয়েকটি বিষয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। প্রথমত, অর্থ পাচার ও অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধে তদন্তকে রাজনৈতিক পরিচয়-নিরপেক্ষ করতে হবে। অভিযোগ যার বিরুদ্ধেই হোক, প্রমাণ থাকলে তদন্ত ও বিচার হতে হবে।

দ্বিতীয়ত, চাঁদাবাজি, ঘুস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু সংবাদ সম্মেলন, মামলা বা বক্তব্য দিয়ে দুর্নীতি কমবে না। জনগণকে ফল দেখতে হবে।

তৃতীয়ত, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে। দেশের অর্থ বিদেশে চলে যাবে আর আমরা শুধু “কেন হলো?” বলে আলোচনা করব, এটা চলতে পারে না।

চতুর্থত, ইতিহাস নিয়ে গবেষণা হোক, বিতর্ক হোক, প্রশ্ন হোক। কিন্তু ইতিহাসের নামে উসকানি, প্রতিহিংসা বা রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

পঞ্চমত, রাষ্ট্রের মূল শক্তি যেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উত্তেজনা বা প্রতিদিনের রাজনৈতিক নাটকে নষ্ট না হয়। রাষ্ট্রের শক্তি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে।

সবশেষে সবচেয়ে বড় কথা, বাংলাদেশ কারও ভারতপন্থি, পাকিস্তানপন্থি, আমেরিকাপন্থি বা অন্য কোনো দেশের অনুসারী হওয়ার জন্য স্বাধীন হয়নি। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে নিজের মানুষের জন্য, নিজের রাষ্ট্রের জন্য, নিজের ভবিষ্যতের জন্য।

তাই এখন সময় এসেছে একবার আয়নার সামনে দাঁড়ানোর। আমরা কি সত্যিই স্বাধীন দেশের নাগরিকের মতো আচরণ করছি?

নাকি এখনও অন্যের প্রশংসা, অন্যের নিন্দা, পুরোনো ইতিহাসের বিতর্ক আর নিজেদের স্বার্থের রাজনীতিতে এতটাই ব্যস্ত যে, সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আসল বিপদটাই দেখতে পাচ্ছি না?

বাংলাদেশের জন্য এটি আর সাধারণ সতর্কবার্তা নয়। এটি একটি জরুরি জাতীয় সতর্কসংকেত।

দেশের মানুষকে বিভক্ত করে, ইতিহাসকে টেনে এনে, একে অন্যের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে এবং দুর্নীতিকে স্বাভাবিক জীবনের অংশ বানিয়ে কোনো দেশ টিকে থাকতে পারে না। বাংলাদেশের মানুষ অনেক সহ্য করেছে। এখন প্রয়োজন দেশকে নিয়ে নতুন করে ভাবার।

বাংলাদেশ, তুমি ভালো হয়ে যাও

কারণ বাংলাদেশ ভালো না হলে শুধু বাংলাদেশের মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, এর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অভিঘাত বৃহত্তর বিশ্বেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এখনও সময় আছে। কিন্তু সময়টা যেন শেষ হয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় না থাকি।

রহমান মৃধা
গবেষক ও লেখক, সাবেক পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন
ই-মেইল: rahman.mridha@gmail.com

এমআরএম

Original Source
https://www.jagonews24.com/probash/news/1157827
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in Economy