সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ আমলে নিচ্ছি না: চিফ প্রসিকিউটর

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে ‘আমলে নিচ্ছেন না’ বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বুধবার (...

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে ‘আমলে নিচ্ছেন না’ বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে পোশাকধারী এবং পোশাকধারী ছাড়াও সবসময় কঠোর নিরাপত্তা থাকে। এটি আগেও ছিল, এখনো আছে। আর ককটেল বিস্ফোরণ—এগুলো আমরা আমলে নিচ্ছি না।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করা হয়। রায় ঘোষণার পর দুপুর সোয়া একটার দিকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান গেটে প্রবেশপথের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

ওইদিন ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। সাত আসামির সবাই পলাতক।

রায়ে প্রত্যেক আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্তেরও আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাটি করা হয়। প্রসিকিউশনের অভিযোগ ছিল, আন্দোলন দমনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা বিভিন্ন নির্দেশনা, বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভূমিকা রাখেন।

মামলায় ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে নির্দেশনা দেওয়া, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় করার পাশাপাশি ইন্টারনেটের গতি কমানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত অভিযোগের মধ্যে ১১ জুলাই সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে ফোনালাপ, ১৪ জুলাই গণভবনে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা এবং ১৫ জুলাই ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ও ছিল।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম রায় ঘোষণার পর জানিয়েছিলেন, মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ ছিল এবং অধিকাংশ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন।

এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সপ্তম রায়।

এফএইচ/এমকেআর

Original Source
https://www.jagonews24.com/law-courts/news/1157896
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in World